বার্ষিক সভার আওয়ামী লীগ পাচ্ছে এমন বিশেষ জয়ের শ্রদ্ধাশীল ছিল চীন, এবং এই সময়ে চীন ঘোষণা করেছে যে, তারা বাংলাদেশের নতুন সরকারের সাথে প্রীতিপূর্ণ সহযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক।

মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) রাতে, চীন সরকারের পক্ষ থেকে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতি মুখপাত্র হিসেবে মাও নিং এই তথ্যগুলি সংক্ষেপে উল্লেখ করেছেন।

তারা বলেছেন, বাংলাদেশকেও তাদের সফল নির্বাচনের জন্য অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে, মাও নিং প্রকাশ করেছেন যে, তারা চাইতেছেন পারস্পরিক সম্মান, সমতা, এবং দ্বিপক্ষীয় সুসংহতির ভিত্তিতে কোনও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ ছাড়াই বাংলাদেশের সাথে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক বাড়িয়ে তোলতে চায় চীন। বেইজিং আরও শক্তিশালী হতে ইচ্ছুক এবং দুই দেশের কৌশলিক সম্পর্ক উন্নত করতে ইচ্ছুক। চীন সরকার দৃঢ়ভাবে বাংলাদেশকে সাহায্য করতে ইচ্ছুক।

এই আগে সোমবার, গণভবনে অবস্থান করে, নির্বাচনে আবার জয়ী হওয়ার সুবর্ণ অবসরে, চীনের নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে দেখা করার জন্য গত সোমবার ঢাকায় এসেছিলেন। এই সময়ে রাষ্ট্রদূত দেশটির নেতাদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা বার্তা প্রধানমন্ত্রীকে সৌজন্যে পৌঁছাতে বলেন।

কমনওয়েলথ মহাসচিব এবার শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানাতে এগিয়ে এসেছেন

৭ জানুয়ারি সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হওয়া দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি তথ্য হল, মোট ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে ভোট হয়েছে। নওগাঁ-২ আসনের প্রার্থী মৃত্যুর কারণে এই আসনের নির্বাচন স্থগিত হয়েছে এবং এটির জন্য নতুন শিডিউল তৈরি করা হয়েছে। এই আসনের নির্বাচন আসবে ১৩ ফেব্রুয়ারি। এছাড়া, ময়মনসিংহ-৩ আসনের ফলাফল স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে যেটি ১৩ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে।

২৯৮ আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২২২ আসন পেয়েছে এবং ১১টি জাতীয় পার্টি একাধিক আসন জড়িত হয়েছে। তবে, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জয়ের হার এই বার বেশি হয়েছে, তারা ৬২টি আসন জড়িত করেছেন। আর মহাজোটের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টি ও জাসদ একটি আসন জড়িত করেছে। এছাড়া, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির প্রার্থী সৈয়দ মোহাম্মদ ইবরাহিমও কক্সবাজারের একটি আসন জড়িত করেছেন।

অবশেষে, নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর সরকার গঠনের প্রস্তুতির মধ্যে থাকতে চলেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।