রমজানের আগে এখন আরও দুই মাস বাকি। এই সময়ে নিত্যপণ্যের বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে। চাল, ছোলা, ডাল, বেসন, মাছ, মাংস, এবং খেজুর সহ কিছু পণ্যের দাম বাড়ছে। এতে ভোক্তাদের উপর প্রভাব পড়ছে। এই অবস্থায়, রোজার সময় সব প্রয়াস করতে হবে যাতে নাগাল থেকে বাইরে যাওয়ার জন্য ভোগান্তর হয় না। এর ফলে, নিত্যপণ্যের দামে নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে নতুন সরকারের প্রতি চাপ হয়েছে।
শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) কেরানীগঞ্জের জিনজিরা এবং আগানগর, রাজধানীর কারওয়ান বাজার এবং হাতিরপুল বাজারসহ একাধিক বাজারে একই সময়ে দেখা গেছে একই প্রকারের সৃষ্টি।
বিক্রেতারা জানাচ্ছেন যে, রোজার আগেই প্রায় সকল ধরনের নিত্যপণ্যের দাম বাড়েছে। প্রাথমিকভাবে আড়তদার ও মিল মালিকদের কারসাজি বাড়ছে, এবং ক্রেতাদের মতে, রোজার আগেই সিন্ডিকেট করে বাজারগুলি অস্থির করে তুলেছে অসৎ ব্যবসায়ীরা।
বাজারে কোনো ক্রেতা নেই, তবে বিক্রেতাদের দ্বারা দাম বাড়ছে!
পলাশ হোসেন এক ক্রেতা বলছেন,
রোজার অবশিষ্ট এখনও একই অবস্থায় রয়েছে, তবে বর্তমানে বাজারটি অস্থির হয়ে উঠেছে। যদি বর্তমান সিন্ডিকেট ভাঙতে সক্ষম হয়না, তবে রোজার সময়ে সব পণ্যের মূল্য বেড়ে যাওয়া সম্ভাবনা রয়েছে।
"প্রত্যয়" নামক একজন ক্রেতা কথা বলছেন যে, নতুন সরকারের দিকে আশা রাখতে হবে, এবং আগামী বছরে নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে থাকবে। যদি সরকার ইচ্ছা করে, তাদের হাতে রোজায় নিত্যপণ্যের মূল্য নাগালে রাখতে পারবে। এটি হয়তো একটি কঠোর নজরদারির প্রয়োজন।
অন্যদিকে, সাইফুল নামক এক বিক্রেতা বলছেন, আড়তদার এবং মিল-মালিকরা সিন্ডিকেট করে দাম বাড়িয়ে চলছেন। বাড়তি মূল্যে পণ্য ক্রয় করলে, তাদের বিক্রি করতে বেশি মূল্যে পার্থক্য পড়তে হবে। এটি গরিব মানুষদের জন্য কিছু কষ্টজনক হতে পারে, তবে খুচরা ব্যবসায়ীদের জন্য এটি নিরুপায়।
ডাল-ছোলা এবং আটা-ময়দা দাম বাড়িয়েছে
বাজারে ঘুরে দেখা যাচ্ছে যে, সপ্তাহ ব্যবধানে আটা-ময়দা, ডাল-ছোলা এবং বেসনের দাম বাড়েছে। প্রতি কেজিতে এই পণ্যগুলির দাম ৩ থেকে ৫ টাকা বাড়েছে। খোলা আটা এখন ৫০ টাকা, আর প্যাকেটজাত আটা ৫৫ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। আর কেজিতে ৫ টাকা বাড়ে খোলা ময়দা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, এবং প্যাকেটজাত ময়দা ৭০ থেকে ৭৫ টাকা প্রতি কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
কেরানীগঞ্জের আগানগর বাজারের খুচরা দোকানদার সালাম বলছেন, ৫০ কেজির প্রতি বস্তা আটা-ময়দার দাম ১০০ থেকে ১৫০ টাকা বাড়েছে। এই কারণে তারা দাম বাড়িয়ে বিক্রি করতে সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে।
এছাড়া, কেজিতে ২০ টাকা বাড়ে মুগডাল বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়, আর মসুরির ডাল বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। এই ছাড়া, কেজিতে ৫ টাকা বাড়ে প্রতি কেজি ছোলা ৯৫ টাকা ও ছোলার ডাল ১০ টাকা বাড়ে বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১১০ টাকায়। আর কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বাড়ে অ্যাঙ্কর ও খেসারির ডাল বিক্রি হচ্ছে যথাক্রমে ৭০ টাকা এবং ৯০ থেকে ১০০ টাকায়।
ডালের মূল্য বাড়ছে এবং এই উন্নতির প্রভাবে বেসনের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতি কেজি বেসন এখন ৭০ টাকা বিক্রি হচ্ছে, যা ৫ থেকে ১০ টাকা বাড়গুলির সাথে। আপনাদের মনে হতেই পারে যে, আমদানি শুল্ক অর্ধেক কমানো হলেও বাজারে চিনির দাম এখন আরও বাড়ছে। প্রতি কেজি খোলা চিনি এখন ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে, এবং প্যাকেটজাত চিনি তো বাজার থেকেই বেড়ে যাচ্ছে।
ভরা মৌসুমেও গ্রাহকের পকেটে সবজি কাটছে
বিক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারে চিনি পাওয়া সম্ভব হয়না। শুল্ক কমিয়ে লাভ হয়না। পাইকারি মোড়ে দাম কমানো হলেও, খুচরা মোড়েও দাম কমানো হবে না।
চালের দাম আরও বাড়ছে
সপ্তাহ ব্যবধানে আবারও চালের দাম আরও বাড়ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন যে, গত সপ্তাহে মোটা এবং সরু চালের দাম কেজিতে ৫ টাকা পর্যন্ত বাড়েছে। প্রতি কেজি আটাইশ ৫২ থেকে ৫৫ টাকা, নাজিরশাইল ৭৮ থেকে ৮৪ টাকা, পাইজাম ৫২ থেকে ৫৩ টাকা, এবং মিনিকেট চাল ৬৮ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
কারওয়ান বাজারের বরিশাল রাইছ এজেন্সির আল হাসিব কথা বলেন
চালের দাম বাড়ছে, কমাচ্ছে না। দেশে চালে কোনো সমস্যা নেই। মিলারদের সিন্ডিকেটের ফলেই দাম বাড়ছে, এবং তারা নির্বাচনে ব্যবহৃত হচ্ছে তাদের সুযোগ।
মুখমুখি মাংসের বাজার
সপ্তাহ ব্যবধানে গরু এবং মুরগির মাংসের দাম বেড়েছে। প্রতি কেজিতে ব্রয়লার মুরগি এবং লাল লেয়ারের মুরগির দামে বৃদ্ধি হয়েছে, যা ১০ থেকে ২০ টাকা। আর গরুর মাংসের দাম বাড়েছে ৩০ থেকে ৫০ টাকা।
বাজারে ঘুরে দেখা যাচ্ছে যে, প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ২০০ থেকে ২১০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩১০ থেকে ৩২০ টাকা, দেশি মুরগি ৫০০ থেকে ৫৮০ টাকা এবং লাল লেয়ার ২৮০ থেকে ২৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতি কেজি হাঁস বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায়।
ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন যে, কিছুটা কিছুটা ব্রয়লার এবং লাল লেয়ার মুরগির দাম সরবরাহ কমার কারণে কমেছে। তবে, শীতকালে দামে আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কেরানীগঞ্জের আগানগর বাজারের রিপন একই সময়ে জানাচ্ছেন।
শীতের বৃদ্ধির সাথে সাথে মুরগির বালাই বাড়ছে। মুরগির ছানা মারা যাচ্ছে। যদি শীত আরও তীব্র হয়, তাদের সরবরাহে সংকট উত্পন্ন হতে পারে, যা দামে আরও বৃদ্ধি করতে সহায় করতে পারে।
ভোটের পর গরুর মাংসের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে
আরও একদিকে, বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৬৮০ থেকে ৭০০ টাকায়। তবে গত মাসে গরুর মাংসের মূল্য ৬৫০ টাকা ছিল, যা মাংস ব্যবসায়ীরা বেঁধে দিয়েছিল। তবে পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই বাজারে এখন কেন বাড়তি দামে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে, এটি জানতে হলে ব্যবসায়ীরা বলছে, কম দামে গরুর মাংস বিক্রি করা হতে লোকসান হচ্ছে এবং তাই দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
কেরানীগঞ্জের মায়ের দোয়া গোস্ত বিতানের মাংস ব্যবসায়ী ফরিদুল ইসলাম বলছে,
দাম কমানোর ফলে গরুর মাংসের বিক্রি বৃদ্ধি পেয়েছিল, তবে কম দামের কারণে লোকসান প্রভাবিত হয়েছে। এ কারণে ক্ষতি পূর্ণ হয়ে থাকায় নির্ধারিত দাম থেকে ৩০ টাকা বাড়িয়ে মাংস বিক্রি করা হচ্ছে।
তবে খাসির মাংসের দাম বাজারে বাড়ছেনি। এটি এক হাজার ৫০ টাকা থেকে এক হাজার ১০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
অস্থির বাজারে নতুন করে ডিমের দামও বাড়ছেনি। প্রতি ডজন লাল ডিম ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা পর্যন্ত এবং সাদা ডিম ১২০ থেকে ১২৫ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতি ডজন হাঁসের ডিম ২০০ থেকে ২১০ টাকা এবং দেশি মুরগির ডিম ২৩৫ থেকে ২৪০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
সবজির মূল্য কমেছে
অস্থির বাজারে একমাত্র স্বস্তি মিলছে সবজিতে। তবে গত কয়েক সপ্তাহে কেজিতে ২০ থেকে ৪০ টাকার বাড়ার পর চলতি সপ্তাহে কমেছে মাত্র ৫ থেকে ১০ টাকা। বিক্রেতাদের দাবি, বাজারে সবজির সরবরাহ বাড়ায় দাম কমেছে।
কেরানীগঞ্জের আগানগর বাজারের সবজি বিক্রেতা উজ্জল বলছেন, শীত বাড়ায় বেড়েছে শীতকালীন সবজির সরবরাহ। এতে কমেছে দাম। শীত বাড়লে শাক-সবজির দাম আরও কমবে।
তবে ক্রেতাদের কথা হচ্ছে, সবজির দাম কমলেও তা খুবই চাপাইত। এই সময়ে সবজির দাম ৪০ টাকা নিচে থাকলেও অধিকাংশ সবজি ৫০ টাকার উপরে বিক্রি হচ্ছে। নাবিল নামক একজন ক্রেতা বলছে,
পণ্যের মূল্য ৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে, কমে ১ টাকা। এটি খুবই অল্প। যদি সবজির দাম আরও কমে, তবে বাজারে সস্তি ফিরবে।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, করলা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, প্রতি কেজি মুলা ২৫ থেকে ৩০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৮০ টাকা, শালগম ৩০ টাকা, শসা ৩০ টাকা, লতি ৮০ টাকা, শিম ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, পেঁপে ২৫ থেকে ৩০ টাকা ও গাজর ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এ ছাড়া প্রতি কেজি বেগুন জাতভেদে ৫০ থেকে ৭০ টাকা, পটোল ৭০ থেকে ৮০ টাকা, পুরান আলু ৭০ টাকা, নতুন আলু ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, টমেটো ৪০ টাকা, কহি ৫০ টাকা, কাঁচা টমেটো ২০ টাকা ও পেঁয়াজের কলি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। আর প্রতি পিস লাউ ৭০ থেকে ৮০ টাকা, আকারভেদে ফুলকপি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বাঁধাকপি ৩০ থেকে ৪০ টাকা ও ব্রকলি ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
নতুন বছরে দৈনিক প্রয়োজনীয় পণ্যের দামে কম খরচ করতে চাই সবাই
এদিকে, কাঁচা মরিচের দাম পাইকারি এবং খুচরা উভয় পর্যায়ে কমেছে। বাজারে খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়; আর পাইকারি পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকায়। এ ছাড়া, বাজারে লালশাকের আঁটি ১৫ টাকা, পুঁইশাক ২৫ টাকা, পালংশাক ১০ টাকা, এবং লাউ শাক ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মৎস্য বাজার
সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও মাছের দামে কিছু উঠছে বলে ক্রেতাদের জানা যাচ্ছে। সপ্তাহ ব্যবধানে কেজিতে সামান্য বাড়তেও, তা সাধ্যের বাইরে কিছুটা উঠছে বলছে ক্রেতারা। এবং বিক্রেতাদের অনুসারে, মাছ পর্যাপ্ত পরিমাণে না পাওয়া যাওয়ায় দামে কোনো কমি আসছে না।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, আকারভেদে প্রতি কেজি রুই ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকা, কাতলা ৪০০ থেকে ৪৮০ টাকা, চাষের শিং ৫৫০ টাকা, চাষের মাগুর ৫০০ টাকা, চাষের কৈ ২২০ থেকে ২৫০ টাকা, কোরাল ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা, টেংরা ৫৫০ থেকে ৭০০ টাকা, চাষের পাঙাশ ২০০ থেকে ২২০ টাকা ও তেলাপিয়া ২১০ থেকে ২৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এ বাদে, প্রতি কেজি বোয়াল ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, আইড় ৮৫০ থেকে ৯০০ টাকা, বাইম ১ হাজার টাকা, দেশি কৈ ১ হাজার ৩০০ টাকা থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকা, শিং ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা, শোল ৯০০ থেকে ১ হাজার টাকা, এবং নদীর পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে ৯০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায়।
কেরানীগঞ্জের কালীগঞ্জ বাজারের মাছ ব্যবসায়ী হরিপদ বলেন, মাছের সরবরাহ এখন পর্যাপ্ত না থাকার কারণে দামে উঠছে। সরবরাহ বাড়লে দাম কমতে পারে।
মাছের দাম বাড়তি হচ্ছে সরবরাহ সংকটে
এবং ক্রেতাদের দাবি, মাছের দাম নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে দিন দিন। এখনই লাগাম ধরতে না পারলে, মাছ কেনা কষ্টসাধ্য হয়ে দাড়াবে।
একটি ক্রেতা নামক আকাশ জানান,
বাজারে মাছের দাম খুব বেড়ে গিয়েছে, একইভাবে নদীর মাছের দামও বেশ উচ্চ। এখানে নতুন সরকারকে বাজারের নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে হবে, এবং তাদের দিকে নজর দেওয়ার প্রয়াস করতে হবে।
পেঁয়াজের মৌলিক দাম স্থিতিশীল হয়েছে, এবং এডা-রসুনের দাম বাড়ছে।
বাজারে অস্থির হয়েছে পেঁয়াজের মৌলিক দাম এবং কিছুটা স্বস্তি প্রাপ্ত হয়েছে। নতুন করে দাম বাড়তে পারেনি। প্রতি কেজি পুরাতন দেশি পেঁয়াজ বর্তমানে ১১০ থেকে ১৩০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজ দেখা যায় না। যদিও কয়েকটি দোকানে পাওয়া গেছে, সেগুলিতে বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা পর্যন্ত। অপরদিকে, প্রতিকেজি মুড়িকাটা পেঁয়াজ বর্তমানে ৮০ থেকে ৯০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
বিক্রেতাদের কাছে পৌঁছানো মতে, বাজারে পুরোদমে মুড়িকাটা পেঁয়াজে নতুন করে দাম বাড়ছে না। রাজধানীর কারওয়ান বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা হাসিব একই মতে আছেন যে, সরবরাহ বাড়লে দাম বাড়তে পারে না। কৃত্রিম সংকট হয়নি তাদের কাছে হয়ে থাকলে দাম প্রাকৃতিকভাবে কমতে থাকবে।
আর একই সময়ে, কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বাড়ে খুচরা পর্যায়ে, প্রতি কেজি দেশি রসুন ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা এবং আমদানি করা রসুন ২২০ থেকে ২৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর অন্যান্য পর্যায়ে, প্রতি কেজি দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২১০ টাকায়, আবার আমদানি করা রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকায়।
হাজার টাকার মানেও নেই বাজারে ব্যাগ
এবং, কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়ে মানভেদে প্রতি কেজি আদা বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৪০ টাকায়। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, সরবরাহ কমায় দাম বাড়ছে আদা-রসুনের।
সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ১১ জানুয়ারির হালনাগাদকৃত তথ্য বলছে, এক বছরের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে দেশি ও আমদানি করা রসুনের দাম বেড়েছে যথাক্রমে ৯২ শতাংশ ও ৭৭.৭৮ শতাংশ। আর দেশি ও আমদানি করা পেঁয়াজের দাম বেড়েছে যথাক্রমে ১৪০ শতাংশ ও ১৪৭.৬ শতাংশ।
এদিকে, ফলের বাজার ঘুরে দেখা যায়, মানভেদে খেজুরের দাম বেড়েছে ১৪০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত। প্রতিকেজি দাবাস খেজুর ৪৫০ টাকা, জিহাদি খেজুর ২৪০ টাকা, আজওয়া খেজুর ৯০০ টাকা, বড়ই খেজুর ৪০০ টাকা, মরিয়ম খেজুর ৯০০ টাকা ও মেডজুল খেজুর বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৩০০ টাকা।








0 Comments