নতুন বছরের প্রথম দিনে, ইশিকাওয়া জাপানে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে আঘাত হেয়েছে, যার ফলে এ সময়ে তার শত্রুবাদীর মধ্যে ৩০ জনের প্রাণহানি হয়েছে। এর অলাভে অলাভে, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো একাধিক মানুষ চাপা পড়া এবং তাদের উদ্ধারে চেষ্টা করছে এক হাজারেরও বেশি উদ্ধারকর্মী। বিবিসি খবরে জানানো হয়েছে।

ইশিকাওয়ার প্রশাসনিক অঞ্চলের স্থানীয় কর্মকর্তা বলেছেন, 'এখন পর্যন্ত ৩০ জনের মৃত্যুর সংবাদ নিশ্চিত হয়েছে।'

সোমবার (১ জানুয়ারি) জাপানের উত্তর-মধ্যাঞ্চলী এলাকায় ৭ দশমিক ৬ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এই ভূমিকম্পের পরিণতির সাথে দেশটি সুনামির আঘাত পেয়েছে। ইশিকাওয়া প্রশাসনিক অঞ্চলের ওয়াজিমা শহরে ১.২ মিটার উচ্চতার ঢেউ পরিণত হয়েছে।

জাপানের আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সোমবার থেকে এ পর্যন্ত জাপানে ৭ দশমিক ৬ মাত্রার একটি শক্তিশালী কম্পনসহ ১৫৫টি ভূমিকম্প পরিণত হয়েছে। এই দিনে হানা বেশিরভাগ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৩ মাত্রার বেশি। এসব ভূমিকম্প মাঝারি মাত্রার ছিলেও মঙ্গলবার সকালে দেশটিতে ছয়টি শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়েছে।

জাপানের আবহাওয়া সংস্থা এই ভূমিকম্পটিকে '২০২৪ নোটো পেনিনসুলা ভূমিকম্প' নামে চিহ্নিত করেছে অফিশিয়ালি। রয়টার্স সংবাদ একটি সূত্রে জানিয়েছে, বেশ কয়েকজন জাপানে ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়েছেন এবং এর ফলে অনেক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জাপানের ইশিকাওয়া অঞ্চলের ওয়াজিমা শহরের ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, তাদের তথ্য অনুসারে ভূমিকম্পে অন্তত ৩০টি ভবন ধসে পড়েছে।


ভূমিকম্পের বিষয়ে মঙ্গলবার জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা বলেছেন, নতুন বছরে জাপানের মধ্যাঞ্চলে একটি হৃদয়জ্বরের মতো ভূমিকম্প ঘটেছে এবং অসংখ্য মানুষ হতাহত হয়েছে এবং বিশাল সংসার ক্ষতি হয়েছে।

কিশিদা আরও বলেন, সরকার ইতিমধ্যে আঘাতগ্রস্ত এলাকায় আত্মরক্ষা দল প্রেরণ করেছে। আঘাতগ্রস্ত এলাকায় সাহায্য প্রদান চলবে এবং সেই এলাকায় স্থিতি অব্যাহত থাকবে।