ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সম্পর্কে 'অপমানজনক' মন্তব্য করার ফলে মালদ্বীপের তিনটি মন্ত্রীকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

বাঙালি নাগরিকদের কাছে মারিয়াম শিউনা, মালশা এবং হাসান জিহানের প্রতি কঠোর আলোচনা করা হয়েছে, যা রবিবার (৭ জানুয়ারি) মালদ্বীপ সরকার দ্বারা তাদের বরখাস্তও করেছে। এই সংবাদটি স্থানীয় সংবাদমাধ্যম লাইভমিন্ট দ্বারা জানানো হয়েছে।


মালদ্বীপ সরকারের প্রধান ইব্রাহিম খালিল একটি বিজ্ঞপ্তিতে বলেছেন, 'আমরা অমানবিক মন্তব্যের জন্য দায়ী সকল সরকারি কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছি এবং এই সিদ্ধান্তটি তাত্ক্ষণিকভাবে প্রভাবশালী হয়েছে।'

আটল টাইমসের রিপোর্টে আসতে, তিনটি মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রীর চরণে বরখাস্ত হয়েছিলেন। তবে, এই সংবাদটি উপমন্ত্রী হাসান জিহানকে 'ভুয়া' হিসেবে সঙ্গীত করেছেন।

সাম্প্রতিক মাসগুলির মধ্যে, ভারত ও মালদ্বীপের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে তীব্র আত্মসাতের ঘটনা হয়েছে। এবারে এটি আরও উগ্রবাদী হয়েছে মালদ্বীপের যুব ক্ষমতায়ন-বিষয়ক উপমন্ত্রী মারিয়াম শিউনা দ্বারা।


সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী লাক্ষাদ্বীপ দ্বীপ সফরকে একটি পোস্টে একদিকে তার 'উপহাস' করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে (সাবেক টুইটার) তার উদ্ধারণ দেওয়া হয়। তার পোস্ট এই দুদেশের সম্পর্কে আরও উদ্বেগ সৃষ্টি করে।

এই টুইটের পরে সামাজিক মাধ্যমে নিন্দা প্রবৃদ্ধি হয়। এর ফলে অনেক ভারতীয় পর্যটক, যারা মালদ্বীপে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছিলেন, শেষ মুহূর্তে তাদের ভ্রমণ বাতিল করেছেন। এটার পাশাপাশি, তারা তাদের ফেসবুকে বিমানের টিকিট এবং হোটেল বুকিং-এর স্ক্রিনশট শেয়ার করে 'বয়কট মালদ্বীপ' প্রচার করেছেন।

মালদ্বীপের পূর্ব প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদ নিজেকে শিউনার মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করেছেন। তার মন্তব্য অনুযায়ী, মালদ্বীপ সরকারের নীতির প্রতিফলন হয়নি এবং এটি বিশ্বকে অবহিত করতে হয়েছে, এটি নিয়ে মুইজ্জুরকে আহ্বান করেছেন।

গত বছরের নভেম্বরে মোহাম্মদ মুইজ্জু, যারা মালদ্বীপে প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজ করছেন, তার পরে ভারত-মালদ্বীপ কূটনৈতিক সম্পর্কে একটি উত্কৃষ্ট পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। তার প্রেসিডেন্সির পরে, মুইজ্জু পররাষ্ট্রনীতিতে কিছু পরিবর্তন করেছেন এবং 'ইন্ডিয়া ফার্স্ট' নীতি থেকে চীনের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের দিকে গতি দেওয়া হয়েছে।